করোনা কালে অনলাইন বিজনেসগুলোর করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন ১০ টি টিপস

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
এই করোনা মহামারীর মধ্যে অধিকাংশ অনলাইন বিজনেস এর অবস্থা খুব একটা ভালো নয় । তবে শারীরিকভাবে করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগে অনেকেই মানসিকভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিজের অনলাইন বিজনেসের হাল ছেড়ে দিতে বসেছেন । আসলে যেকোন পরিস্থিতেই ঠিকে থাকা বা এগিয়ে যাওয়াই একজ সফল উদ্যগতার বৈশিষ্ট্য । আর এই সময়েও আপানর অনলাইন বিজনেসের জন্যে করণীয় অনেক কিছু রয়েছে । এই লেখাটিতে আমরা মূলত এই করোনাকালে আপনার করনীয় সম্পর্কে আলচনা করব এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ  ১০টি  টিপস শেয়ার করব যা এই সংকটাপুর্ন অবস্থায় আপনার বিজনেসের জন্যে অনেক হেল্পফুল হবে । শুরুতেই একটা কথা বলে নিতে চাই এই সময়ে মানুষ প্রচুর পরিমাণে অনলাইনে এক্টিভ রয়েছে কিন্তু তাদের বাইয়িং বিহ্যাভিয়র কিন্তু খুব পোর । অর্থৎ আগের মত অনলাইন থেকে কেনাকাটা করছে না যা এই সময়ে খুব স্বাভাবিক । তবে আজকের এই ১০টি টিপস এই ক্রান্তিকালেও আপনাকে ঠিকিয়ে রাখতে এবং বিজনেসের প্রসার করতে সাহায্য করবে ।  

করোনা কালে করণীয় সম্পর্কে ১০টি টিপসঃ

  1. এই সময়ে যেহেতু মানুষ প্রচুর অনলাইনে রয়েছে কিন্তু পারচেস করছে না তাই এই সময়েকে আপনার বিজনেসের ব্রান্ডিং এর জন্যে কাজে লাগান । খুব বেশি সেলস প্রোমোট না করে বরং ব্রান্ডিংএ ফোকাসড থাকুন এবং আপনার টার্গেটেট  অডিয়েন্সকে  সেলস ফানেল এ নিয়ে এসে নার্সিং করুন ।
  2. এই সময়টাতেও নিয়মিত কন্টেন্ট পাবলিশ করুন । নিয়মিত মানেই যে প্রতিদিন তা নয় একটা ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সেটা হতে পারে সাপ্তাহে ২ টা বা ৩ টা । তবে কন্টেন্ট এর কোয়ালিটির দিকে অবশ্যই খেলায় রাখতে হবে । আর অবশ্যই প্রতিদিন পেজ এবং ইন্সটাগ্রাম থেকে ডে শেয়ার করার চেষ্টা করুন । এতে আপনি প্রচুর অরগানিক এংগেজমেন্ট পাবেন ।
  3. বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটা বিষয় খুব বেশি পরিলক্ষিত যে অধিকাংশ অনলাইন বিজনেসগুলো শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ ডিপেন্ডেন্ট । অনেকের শুধু ফেসবুক পেজটাই রয়েছে কোন গ্রুপ নেই আর গ্রুপ থাকলেও সেই গ্রুপে মেম্বার নেই বা কোন প্রকার এক্টিভিটি নেই । আর হয়তো হাতেগোনা কয়েকয়টা বিজনেসের ইন্সটাগ্রাম বা অনান্য সোশাল মিডিয়া প্লাটফরম রয়েছে । সো এইটা কিন্তু একটা পার্ফেক্ট সময় আপনার অনান্য সোশাল মিডিয়া যেমন ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব, লিঙ্কিডইন বা টুইটার ইত্যাদি প্লাটফরমগুলোকে স্টরং করার ।
  4. অনেকেই এই সময়ে তাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস রিলেটেড কন্টেন্ট পাবলিশ করছেন খুব বেশি । কিন্তু আমি বলব এই সময়টাতে আপনারা হেল্পফুল কন্টেন্ট পাবলিশ করেন । বা প্রব্লেম ফিক্সিং কোন কন্টেন্ট দেন যা আপনার টার্গেট অডিয়েন্স এর কোন সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে । এছাড়াও আপনি পজেটিভ নিউজগুলো শেয়ার করতে পারেন অবশ্যই ফেক নিউজ নয় যা আপনার অডিয়েন্সকে এই সময়ে মানসিক প্রশান্তি দেবে । এবং এর ফলে কিন্তু আপনার বিজনেসের প্রতি আপনার অডিয়েন্স এর একটা পজেটিভ ইম্প্রেশন তৈরি হবে ।
  5. স্টোরি টেলিং যেটা প্রতিটা বিজনেসের জন্যেই বেশ গুরুত্ত্বপুর্ন বলে আমরা মনে করি। অর্থাৎ আপনার বিজনেসের স্টোরি আপনার অডিয়েন্সকে জানান এখন যেহেতু স্ক্রিনিং টাইম অনেক হাই  তাই মানুষের কিন্তু আপনাকে শোনার টাইম রয়েছে । সো আপনি কোন প্রবলেমের সল্যুশন মাথায় রেখে আপনার বিজনেস শুরু করেছেন বা একজিস্টিং বিজনেসের তুলনায় আপনি কি বেটার দেয়ার প্রয়াসে আপনার বিজনেসের যাত্রা শুরু করেছেন তা আপনার অডিয়েন্সকে জানান । এতে আপনার বিজনেসের ট্রাস্ট ব্যারিয়ার দুর হবে এবং বিশ্বাসযোগ্যাতা বাড়বে ।
  6. ডিস্কাউন্ট বা অফার প্রোমটিং কন্টেন্টগুকে সোশাল এওয়ারনেস মূলক বা  ইমোশনাল করার চেষ্টা করুন । এমন কোন কন্টেন্ট বানাবেন না যা শুধু আপনার ব্যবসায়িক ইন্টেন্টকে প্রকাশ করে বরং আপনার প্রডাক্ট বা সার্ভিস যে আসলেই মানুষের লাইফে ভেলু এড করে সেটা নিশ্চিত করুন ।
  7. যেহেতু এই সময়ে সবার ব্যস্ততা তুলনামূলক কম তাই আপনার বিজনেসের জন্যে টেস্টিমনিয়াল বা রিভিউ কালেকশনের এটা উপযুক্ত সময় হতে পারে এটা । অর্থৎ যারা আপনার ললায় কাস্টমার আছে বা যাদেরকে আপনি খুবভালভাবে চিনেন জানেন তাদের কাছে কিন্তু আপনি আপনার বিজনেস পেজের জন্যে একটা রিভিউ রিকোয়েস্ট করতে পারেন ।
  8. বিজনেস স্কেলিং বা মার্কেট  এক্সপ্যান্ড করার জন্যে আমরা সকলেই রিসার্চ করে থাকি । আর একন কিন্তু একটা উপযুক্ত সময় মার্কেট রিসার্চ করার । অর্থাৎ আপনি যদি আপনার মার্কেট সাইজ বা অডিয়েন্স সাইজ বড় করতে চান তবে এই সময়তে রিসার্চ করে করে আপনি খুব ভালো একটা প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারেন ।
  9. এই সময়টাতে আপনি কিন্তু চাইলেই আপনার বিজনেসের একটা এফিলিয়েট বা সেলস নেটও্যার্ক গড়ে তুলতে পারেন । যারা পরবর্তিতে আপনার আনপেইড মার্কেটার হিসাবে কাজ করবে । নিঋদিষ্ট পরিমাণ কমিশন শেয়ারের মাধ্যমে আপনার পরিচিত বা লয়াল কাস্টমারদের নিয়ে এই নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারেন । যার মাধ্যেমে আপনি কিন্তু কোয়ালিটি সেলস জেনারেট করতে পারবেন ।
  10. কোলাবরাশন যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে খুব কম দেখা যায় । অর্থাৎ সেইম নিসের বিজনেসের গুলোর একসাথে কোন কাজ বা ইভেন্ট করা ।কিন্তু এটা একটা পরিক্ষিত সত্য যে কোলাবরাশনের মাধ্যমে কোন বিজনেসের কখনও লস হয় নি বরং লাভই হয়েছে । সো এই টাইমটাতে আপনার সেইম নিসের বা কাছাকাছি অনান্য বিজনেসগুলো একসাথে বিভিন্ন অনলাইন ইভেন্ট করতে পারেন । যার ফলে খুব ভালো একটা অরগানিক প্রোমোশন হতে পারে ।
এই লেখাটি ভালো লাগলে আমরা প্রত্যাশা করব আপনি এই লেখাটি শেয়ার করে আমাদের ভবিষ্যৎতে এধনের আরও হেল্পফুল কন্টেন্ট তৈরিতে উৎসাহ যোগবেন । এছাড়া কোন প্রকার প্রশ্ন থাকলে বা পরামর্শের দরকার হলে যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে ।
Shamim Ahmed

Shamim Ahmed

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Get Our Free Ultimate Guide to your Mail